রাজশাহীতে সাংবাদিকের ওপর সশস্ত্র হামলা ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনার প্রতিবাদে গণমাধ্যমকর্মীরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে (কোর্ট চত্বর) এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজশাহীর বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাজশাহীতে সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই, সশস্ত্র হামলাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা তাদের চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলেছে। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ রাজিব খাঁন, দৈনিক চৌকস পত্রিকার রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, মানববন্ধনে বলেন, ঘটনার সাত দিন পার হলেও আমার ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়নি। এমনকি একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। প্রশাসনের এই গাফিলতিতে আমরা গভীরভাবে হতাশ। তিনি বলেন, এই হামলা শুধু তার ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
এজাহার ও ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, মোঃ রাজিব (৪৪), তিনি মোহনপুর থানাধীন বসন্ত কেদার (বকপাড়া), এলাকার মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।
চলতি মাসের ১৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি তার ব্যবহৃত Hero HF Deluxe 13S (১০০ সিসি) লাল রঙের, রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ে মোহনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে একটি পালসার মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি রাত ৩টার দিকে পবা থানাধীন হাসেন জুট মিল এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার গতিরোধ করে।
মুখে মানকি টুপি ও মাফলার পরা এক দুর্বৃত্ত রামদা দিয়ে কোপ দিলে তিনি মোটরসাইকেলসহ রাস্তায় পড়ে যান। প্রাণভয়ে তিনি হাসেন জুট মিলের ভেতরে ঢুকে পড়লে দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেলটি (ইঞ্জিন নম্বর A00504 এবং চ্যাসিস নম্বর C00327) ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। যাহার মূল্য ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
ঘটনার পর পবা থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাক্ষী হিসেবে কয়েকজনের নাম উল্লেখ রয়েছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক মাইনুর রহমান মিন্টু, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের আফতাবুল হোসেন, দৈনিক ঢাকার মেজবাউল রহমান, চৌকস পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার মাসুদ রানা, রাজশাহী তলা প্রতিনিধি আতিকুর রহমান, জাতীয় দৈনিক বাংলা প্রতিদিনের মো. লিটন আলী ও রাজশাহী ব্যুরো চিফ মোঃ সারোয়ার হোসেন, Hstv রিপোর্টার মো. হাসান, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সভাপতি (রাজশাহী) এডভোকেট আরিফুল ইসলাম, সদস্য সচিব এডভোকেট বেনজির আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার, ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে (কোর্ট চত্বর) এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজশাহীর বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাজশাহীতে সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই, সশস্ত্র হামলাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা তাদের চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলেছে। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ রাজিব খাঁন, দৈনিক চৌকস পত্রিকার রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, মানববন্ধনে বলেন, ঘটনার সাত দিন পার হলেও আমার ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়নি। এমনকি একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। প্রশাসনের এই গাফিলতিতে আমরা গভীরভাবে হতাশ। তিনি বলেন, এই হামলা শুধু তার ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
এজাহার ও ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, মোঃ রাজিব (৪৪), তিনি মোহনপুর থানাধীন বসন্ত কেদার (বকপাড়া), এলাকার মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।
চলতি মাসের ১৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি তার ব্যবহৃত Hero HF Deluxe 13S (১০০ সিসি) লাল রঙের, রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ে মোহনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে একটি পালসার মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি রাত ৩টার দিকে পবা থানাধীন হাসেন জুট মিল এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার গতিরোধ করে।
মুখে মানকি টুপি ও মাফলার পরা এক দুর্বৃত্ত রামদা দিয়ে কোপ দিলে তিনি মোটরসাইকেলসহ রাস্তায় পড়ে যান। প্রাণভয়ে তিনি হাসেন জুট মিলের ভেতরে ঢুকে পড়লে দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেলটি (ইঞ্জিন নম্বর A00504 এবং চ্যাসিস নম্বর C00327) ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। যাহার মূল্য ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
ঘটনার পর পবা থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাক্ষী হিসেবে কয়েকজনের নাম উল্লেখ রয়েছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক মাইনুর রহমান মিন্টু, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের আফতাবুল হোসেন, দৈনিক ঢাকার মেজবাউল রহমান, চৌকস পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার মাসুদ রানা, রাজশাহী তলা প্রতিনিধি আতিকুর রহমান, জাতীয় দৈনিক বাংলা প্রতিদিনের মো. লিটন আলী ও রাজশাহী ব্যুরো চিফ মোঃ সারোয়ার হোসেন, Hstv রিপোর্টার মো. হাসান, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সভাপতি (রাজশাহী) এডভোকেট আরিফুল ইসলাম, সদস্য সচিব এডভোকেট বেনজির আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার, ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।